মাদক মুক্ত সমাজ বাংলাদেশ

মাদক মুক্ত সমাজের মাদক বিরোধী র‌্যালী ও  সেমিনার


মাদক মুক্ত সমাজ, বাংলাদেশ (এম এম এস বি)'র উদ্বোগে মাদক বিরোধী "দক্ষিন এশিয়াতে অবৈধ মাদক এবং বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ" বিষয় র্র্যালি ও  সেমিনার ঢাকায় ২৮.৬.১৮ তারিখে সফল ভাবে করা হয়।



জাতীয় অধ্যাপক ড: আনিসুজ্জামান অসুস্হতার কারনে আসতে পারেন নি। সাবেক তত্বাবধায়ক সরকার উপদেস্টা ড: আকবর আলি খান, সাবেক আইজি ও জাতীয় ল' কমিশন সদস্য ড: এনামুল হক, সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ড: মিজানুর রহমান, সাবেক সিনিয়র সচিব জনাব মোকাম্মেল হক, প্রধান আলোচক - বিশিস্ট শিক্ষাবিদ ড: ইমদাদুল হক, প্রফেসর নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, (মাদক বিষয়ে বিশেষ্গ্য, এ বিষয়েই পি এইচ ডি করেছেন ও ৪টি বই লিখেছেন) বক্তব্য রাখেন।


গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ সহ এলাকার প্রায় হাজার- বারো 'শ সুধীজন, কলেজ শিক্ষক/শিক্ষার্থী অংশ গ্রহনে সমগ্র মহাখলীতে ব্যাপক সারা পড়ে। এ ভাবে এম এম এস বি প্রতি মাসেই সারা দেশে মাদক বিরোধী ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাবার আশা রাখে। জেনারেল আমসাআ আমিনের নেতৃত্বে বছর খানেক আগে কুড়িগ্রামে শুরু হওয়া এ উদ্দোগ তিনি সারাদেশে টেকসই ভাবে ছড়িয়ে দেবার আশা ব্যাক্ত করেন।

সকল জেলাতেই এম এম এস বি' র শাখা করা হবে। এ মহতি উদ্দোগে সামিল হতে বিভিন্ন জেলার আগ্রহী সুধীজন, যোগাযোগ করুন - mmsamaj@yahoo.com

জাতীয় প্রেস ক্লবে অরাজনৈতিক অলাভজনক, সমাজ সেবা প্রতিষ্ঠান হিসাবে মাদক মুক্ত সমাজ, এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

মাদক মুক্ত সমাজের সংবাদ সম্মেলন
এম এ মাজেদ ঃ
জাতীয় প্রেস ক্লবে অরাজনৈতিক অলাভজনক, সমাজ সেবা প্রতিষ্ঠান হিসাবে মাদক মুক্ত সমাজ, বাংলাদেশ একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। সম্মেলনটি পরিচালনা করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আমসাআ আমিন, এন ডি সি, পি এস সি। তার সাথে ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং অর্থনীতি বিশ্লেষক জনাব খন্দকার ইব্রাহীম খালেদ, নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ডঃ আব্দুল মোমেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশেষজ্ঞ ডঃ আতিক রহমান এবং আরও অনেকে।
মাদক বিরোধী নতুন সংগঠন হিসাবে সম্মেলনে মাদক মুক্ত সমাজ, বাংলাদেশের সাংগঠনিক বিষয় এবং গঠনতন্ত্রের ধারা গুলি বিশ্লেষন করা হয়। সংগঠনের ভিশন হল – “বাংলাদেশে গড়ে উঠুক মাদক মুক্ত ও মানবিক মূল্যবোধ সমৃদ্ধ সুশাসিত একটি নৈতিক সমাজ।” মিশন হল – “টেকসই ও স্ট্রাটেজিক জাতীয় ক্যম্পেইনের মাধ্যমে মাদকের চাহিদা মুক্ত নৈতিক সমাজ বিনির্মান।”

সংগঠনের মূল লক্ষ্য / উদ্দেশ্য হচ্ছে আর্থ-সামাজিক, নৈতিক, শিক্ষা, স্বাস্থ, চিকিৎসা, সাংস্কৃতিক-ক্রীড়া এবং পুনর্বাসনের বিষয় গুলো সমন্বয় করে দীর্ঘ মেয়াদী কৌশলগত টেকসই জাতীয় ক্যাম্পেইন গড়ে তোলা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ছাত্র-যুব-তরুন সমাজকে লক্ষ্য করেই এ ক্যাম্পেন চলবে। সংগঠকরা মনে করেন মাদক সমস্যার কোন চট্-জলদি সমাধান নেই – ক্যাম্পেইন চলতে হবে বছরের পর বছর ধরে।
সাংগঠনিক ভাবে মহানগরে ও জেলাগুলো নিয়ে মোট ১০০টি ইউনিটে ৫২ জনের অধিক সংখক সদস্যসহ কমিটি করা হবে। প্রতি ইউনিটের তৃনমূল পর্যায়ের শাখা ইউনিট থাকবে। এসব ইউনিটের সদস্যবৃন্দকে নিয়ে ৪/৫ জনের ছোট ছোট টিম করা হবে। একেকটি টিমকে একেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত করা হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের সহযোগীতায় নিয়মিত ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি, প্রতিযোগীতা ও পুরস্কারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক বিরোধী চেতনা, দেশপ্রেম, সততা ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলা হবে। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কাউন্সেলিং ও মনস্তাত্বিক পূনর্বাসন ব্যবস্থা করা হবে।
এছাড়া সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, প্রতি জুম্মার নামজে বয়ানের মধ্য দিয়ে এবং শীতের মৌসুমে ওয়াজ মাহফিলে ব্যাপক মাদক বিরোধী প্রচারনা চালানোর ব্যবস্থা করা হবে।
মাদক বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে ব্যাপক মাত্রায় গবেষনা কার্যক্রম চলবে, মাদকের আন্তর্জাতিক 
সংশ্লিষ্টতা, নারকো-টেররিজম এবং নারকো-অর্থনীতি বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও নীতি-নির্ধারনের জন্য সুপারিশ মালা তৈরী করার পরিকল্পনা আছে।

সকল কাজে মাদক মুক্ত সমাজ, বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলোর সাথে সৎ-সহযোগীর সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। প্রশাসনের ঐকান্তিক সহযোগীতা ছাড়া মাদক বিরোধী কার্যক্রম চালানো সহজ হবে না। দলমত ও রাজনীতি নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক শক্তিকে অবশ্যই তাদের সংগঠনের মধ্যে, সরকারী দল হিসাবে এবং বিরোধী দল হিসাবে এই জাতীয় ইস্যুতে এক হয়ে প্রকাশ্যে মাদক-বিরোধী অবস্থান নিতে হবে। তা হলে সমাজ থেকে মাদক নিমূল সহজ হবে।
আগামী ২/৩ মাসের মধ্যে জেলা ইউনিট গঠন করে জাতীয় সম্মেলন এবং মাদক বিরোধী স্ট্রাটেজিক জাতীয় ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার পরিকল্পনা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন শেষ করা হয়।

Popular Posts